পর্নের প্রতি বিশ্বের বিরাট সংখ্যক মানুষ আসক্ত। বিশ্বের প্রথম পর্ন মুভি ১৮৯৬ সালে মুক্তি পেয়েছিল৷ পরিচালক অ্যালবার্ট কির্চনারের সে নির্বাক পর্ন সিনেমার নাম ছিল, লে কুচার দা লা মারি, ইংরেজিতে তর্জমা করলে দাঁড়ায়, বেডটাইম ফর দা ব্রাইড৷ সিনেমাটি মাত্র ৭ মিনিটের, কিন্তু এখন সেই সিনেমার অধিকাংশ রিল নষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ এই ইন্ডাস্ট্রি অনেক বড় গেমিং ইন্ডাস্ট্রির চেয়েও। পর্ন বিষয়টায় যতই অনেকে নাক উঁচু করুন বা আইনি নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন করুন, কয়েক লক্ষ কোটি টাকার গোটা বিশ্বে পর্নোগ্রাফির ব্যবসা৷
যা দেখা যায় পর্ন ভিডিয়োতে, তার পিছনে থাকে কিছু ট্রেনিং, যা আদতে অভিনয়৷ এছাড়া কিচ্ছু না৷ কাল্পনিক সব অভিনীত চরিত্রই৷ কিন্তু বহু অজানা তথ্য এই ব্যাবসা কে ঘিরে রয়েছে যা সামনে আসে না কখনোই। জানেন কিছু কঠিন সত্য এই পর্ন ইন্ডাস্ট্রির যা আপনাকে ভাবাবে….

১) আজকাল পর্নতারকারা যা টাকা পান, তা নিয়ে তারা তাদের মন ভরাতে পারেন না। বহুক্ষেত্রেই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন প্রযোজনা সংস্থা বা পরিচালকের সঙ্গে।
২) লস অ্যাঞ্জেলসের সান ফার্নান্দো পর্নের আঁতুড়ঘর৷ ২০১২ সালে একটি আইন পাশ হওয়ার আগে পর্যন্ত সবথেকে বেশি পর্ন শ্যুট হত লস অ্যাঞ্জেলসেই৷ ওই আইনে বলা হয়, কন্ডোমের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে সমস্ত পর্ন মুভিতে৷ তারপর থেকেই পর্ন নির্মাতারা ক্যালিফোর্নিয়া ও নেভেদায় লস অ্যাঞ্জেলসের বদলে পর্ন তৈরিতে মনোযোগ দেন৷ সেখানে এখন বেশি সহজ শ্যুটিংয়ের অনুমতি পাওয়া৷
৩) যেসব উত্তেজক মুহূর্ত ছবিতে দেখানো হয়, তার ৯০ শতাংশই নকল। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কেবলমাত্র এইরকম অভিনয় করতে হয় দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য।
৪) ভিডিওতে যে অনেক সময় ধরে সঙ্গম দেখানো হয়, তা আসলে অনেক সময় লাগে শুটিং করতে। কারণ, এতসময় ধরে একটানা সঙ্গম করা মেয়েদের জন্য ক্লান্তিকর সত্যিই।
৫) পুরুষ শিল্পীদের ড্রাগের ডোজ দেওয়া হয় পর্ন মুভি তে কাজ করার জন্যে। পর্নে যে পুরুষশিল্পীরা অভিনয় করেন, আরও বেশিক্ষণ বীর্য ধরে রাখার জন্য তাঁরা ক্যাভারজেক্ট নাম এক ধরনের ড্রাগ ব্যবহার করেন৷