Dainik Sangbad – দৈনিক সংবাদ
Image default
FEATURED ট্রেন্ডিং

রান্নার গ্যাস দিতে এসে নাবালিকার হাত ধরে টানাটানি! চিৎকার করতেই হাতে গুঁজে দেয় দশ টাকার নোট

রান্নার গ্যাস ডেলিভারি দিতে এসেছিলেন যুবক। আর সেই সময় ফাঁকা বাড়িতে নাকি ছিল ওই বাড়ির এক স্কুলে পাঠরতা নাবালিকা স্কুল পড়ুয়া মেয়ে। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে সেই ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে ওই রান্নার গ্যাস নিতে আসা ব্যাক্তি বলে অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বারাসতে। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, ওই ছাত্রী দশম শ্রেণিতে পড়ে।

বৃহস্পতিবার বাড়িতে কেউ ছিল না। তার মা কোনো কাজে বাইরে গিয়েছিল। এরই মধ্যে বাড়িতে গ্যাসের সিলিন্ডার ডেলিভারি দিতে আসেন কায়েম মোল্লা নামক এক যুবক। মেয়েটি তাকে বলে ফেলে যে এখন বাড়িতে কেউ নেই। তাও ওই যুবক সিলিন্ডার রাখতে ঘরের মধ্যে ঢুকে আসেন। ভয় পেয়ে চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেয় ওই নাবালিকা। এতেই কিছুটা থমকে যান কায়েম মোল্লা। এদিকে নাবালিকার চিৎকারে দৌড়ে আসে এলাকার লোকজন। ততক্ষণে পালানোর চেষ্টা করলেও তাকে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। খবর যায় থানায়। পুলিশ পৌঁছানোর আগে অবশ্য তাকে মেরে কিছুটা হাতের সুখ করে নেয় এলাকার লোকজন। পরে পুলিশ এসে তাকে অ্যারেস্ট করে। নাবালিকার পরিবারের তরফে বারাসাত থানায় দায়ের করা হয়েছে লিখিত অভিযোগ।

ওই নাবালিকার মায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, “আমি বাড়ি ছিলাম না। কাজে বেড়িয়েছিলাম। সেই সময় বাড়িতে সিলিন্ডার দিতে এসেছিল ঐ ছেলেটা। মেয়ে বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে শ্লীলতাহানি করে। মেয়ের চিৎকার শুনে পাড়ার সবাই দৌড়ে এসে ধরে ওকে। ওরাই আমাকে ফোন করে খবর দেয়। ফিরে দেখি এই ঘটনা। আমরা আতঙ্কে রয়েছি।”

এক প্রতিবেশীর বক্তব্য অনুযায়ী, “ওই মেয়েটার বাড়িতে অভিযুক্ত যুবক গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি করতে গিয়েছিল। কেউ বাড়িতে নেই বুঝতে পেরেও ওই মেয়েটাকে জড়িয়ে ধরে। ও চিৎকার চেঁচামেচি করায় আবার ওর হাতে ১০ টাকা দিয়ে চুপ করতেও বলে। কিন্তু তাও ও চিৎকার করতে থাকায় আশেপাশের লোক এসে ওকে ধরে। ছেলেটা এই অঞ্চলে অপরিচিত নয়। মাঝেমধ্যেই এর তার বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার দিতে আসে। ও এমন কান্ড ঘটালো দেখে অবাক হচ্ছি ওর স্পর্ধায়।

Related posts

চোখের পলকে ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ, প্রমাণ মিলল হোটেলের সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে

News Desk

শেষকৃত্য শুক্রবার! শেষবারের মত বিমানে সওয়ার হয়ে দিল্লীতে আনা হবে সস্ত্রীক রাওয়াতের দেহ

News Desk

চূড়ান্ত কষ্টে হয়েছিল দিন গুজরান! বাবা রাকেশ রোশনের জন্য মেঝেতেও শুয়েছেন হৃতিক রোশন

News Desk