সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রেগে গেলেন অনুব্রত, বললেন,’ আপনারা কোন হরিদাস পাল ? আমার মেয়ের কিভাবে চাকরি হয়েছে আর কি করে চাকরি হয়েছে সে ব্যাপারে আমি আদালতে বলব। আপনাদের কাছে কেন বলতে যাব।’ আরও বললেন নিজের মেয়ের চাকরি নিয়ে। বুধবার দিনই অনুব্রতর নাম জড়ায় এ রাজ্যের টিট কেলেঙ্কারি মামলায় । অনুব্রত কন্যাকে এই মামলার কারণে হাইকোর্ট থেকে হাজিরা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে । এই প্রসঙ্গতেই নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে আর সমগ্রত মন্ডল কে পেয়ে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করতে থাকে। আজকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার করার জন্য আলিপুর কম্যান্ড হাসপাতালে অনুব্রত এসেছিলেন । সেখানেই সাংবাদিকরা তাকে ভিড় করে প্রশ্ন করতে থাকে তার মেয়ের চাকরি নিয়োগ নিয়ে।

অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমের তৃণমূলের সভাধিপতি স্যার হয়েছে এই মামলায় । মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় গত ১৪ অগস্ট মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকে প্রশ্ন করেন যে ‘ অনুব্রত কেন গ্রেফতার করলে? অনুব্রত কী করেছে?’ এরপরই অনুব্রত বাবুর আইনজীবী বলেন , আগের তুলনায় অনেকটাই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন অনুব্রত । গত বেশ কিছুদিন ধরে অনুব্রতর ব্যবহার বা আচরণে যে আত্মবিশ্বাস দেখা গেছে তার থেকে এহেনও মন্তব্য করা।

যদিও শুধুমাত্র গরু পাচার কাণ্ডের নয় ওই গরু পাচার কান্ড এর মধ্যেই অনুব্রত কন্যার চাকরি নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মধ্যে নিজের নাম জড়িয়ে ফেললেন তিনি ৷ কালিকাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এর দূরত্ব অনুব্রতর বাড়ি থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে । অবশ্য অনুব্রত কন্যা নাকি টেট পরীক্ষা দেয়নি ৷ এমনকি চাকরি পাওয়ার পরও একদিনও সে প্রাথমিক স্কুলে যায়নি। তার বদলে হাজিরার খাতা অনুব্রতর বাড়িতে এসে যেত অনুব্রত কন্যার সইয়ের জন্য ‘টেট পাশ না করে আপনার মেয়ে চাকরি পেয়েছে?’, উত্তরে অনুব্রত বলেন ‘ সেটা সব থেকে ভালো কোর্ট বুঝবে, আপনি কোন হরিদাস পাল?’