Dainik Sangbad – দৈনিক সংবাদ
Image default
FEATURED ট্রেন্ডিং

স্ত্রী ঠিকভাবে শাড়ি পরতে পারে না, ঠিক মত হাঁটে না! সুইসাইড নোট লিখে আত্মঘাতী স্বামী

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে পৃথিবীর যেখানেই কোন অদ্ভুত ঘটনা হোক না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা প্রায় সকলেই জেনে যায়। ইদানিং তাই এমন অনেক ঘটনা কানে আসে যা শোনার পর বিশ্বাস করা শক্ত। তেমনি মাঝেমধ্যে শোনা যায় তুচ্ছাতিতুচ্ছ কারণে আত্মহত্যা করে নেওয়ার মতন ঘটনা। বিশেষত দাম্পত্যে বা প্রেমের সম্পর্কে মানুষ এত সামান্য কারণে অভিমানী হয় চূড়ান্ত পথ বেছে নেয় যা ভাবা যায় না। ঠিক এমনই আরেকটি খবর সামনে এসে মহারাষ্ট্র থেকে। এখানে এক ব্যক্তির আত্মঘাতী হওয়ার কারণটা জানলে অবাক হতে হয়।

স্ত্রী নাকি ঠিক ভাবে শাড়ি পরতে পারেন না। ঠিক ভাবে কথাবার্তাও বলেন না। হাঁটতেও পারে না সঠিক ভাবে। এই কারণে মনের যন্ত্রণার অভিযোগ তুলে তা সুইসাইড নোটে লিখে আত্মঘাতী হলেন এক ব্যক্তি।

মঙ্গলবার পুলিশ জানিয়েছে, মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদ শহরে ২৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেছেন। তার লিখে যাওয়া এক নোটে তিনি দাবি করেছেন যে তিনি তার স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন। মুকুন্দনগরের বাসিন্দা সমাধন সাবলে কে সোমবার তার বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে, মুকুন্দওয়াড়ি থানার এক আধিকারিক বিষয়টি জানিয়েছেন।

লোকটির ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে, যাতে তিনি লিখে গেছেন যে তার স্ত্রী সঠিকভাবে শাড়ি পরতে পারেন না, হাঁটতে বা কথা বলতেও পারেন না, এবং এটাই তার আত্মঘাতী হবার কারন” জানিয়েছেন মুকুন্দওয়াড়ি থানার ইনচার্জ ব্রহ্মা গিরি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে আত্মহত্যাকারী লোকটি ছয় মাস আগে তার থেকে ছয় বছরের বড় একজন মহিলার সাথে বিয়ে করেছিল।

তবে শুধুমাত্র স্ত্রী ঠিক মতো শাড়ী না পড়তে পাড়ার জন্য কিভাবে এক জন ব্যক্তি আত্মহত্যার মত চূড়ান্ত পথ বাছতে পারে, এ বিষয়টি নিয়ে দ্বিধায় খোদ পুলিশও। এই মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কি না তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

Related posts

রাধের মুক্তির দিনে ভাইজানের সতর্কতা: ‘অক্সিজেন, ওষুধ নিয়ে যারা কালোবাজারি করছে, পাপের ফল পাবে’

News Desk

ব্যাঙ্কের শাখায় টাকা জমা দিতে গিয়েছিলেন স্ত্রী! আচমকাই কাস্তে নিয়ে সেখানে হাজির স্বামী

News Desk

লজ্জাজনক! কিছুতেই দেহ ব্যবসায় নামতে চায়নি গৃহবধূ! শাস্তি দিতে যা করলেন স্বামী ও শ্বশুর..

News Desk