গুজরাটের সবরকাঁথা জেলার গাম্ভোই গ্রামে বৃহস্পতিবার এক নবজাতককে জীবন্ত মাটিতে পোঁতা অবস্থায় পাওয়া যায়। ওই খামার মালিক সেখানে পৌঁছালে আচমকাই তার চোখে পড়ে মাটির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা একটি নবজাতকের হাত। পরে তিনি মাটি সরিয়ে নবজাতককে জীবন্ত বের করেন। বাচ্চাটি সেই সময় ক্রমাগত কাঁদছিলেন, তারপরে কৃষক একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে তাকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।
গুজরাটের একটি প্রবাদ ‘জাকো রাখে সাইয়ান মার সাকে না কয়’ অর্থাৎ রাখে হরি মারে কে জাতীয় প্রবাদ কথাটি সেখানকার সবরকন্ঠে সত্য বলেই প্রমাণিত হয়েছে। এখানে একটি শিশুকে মাঠে জীবন্ত কবর দেওয়া হলেও তার কিছুই হয়নি। পশুরা তার কোন ক্ষতি করেনি, মাটির তলায় চাপা পড়ে তার কোন উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি। তার স্বাস্থ্য মোটামুটি ঠিক আছে। চিকিত্সকদের মতে, তার অবশ্যই শ্বাস-প্রশ্বাসে কিছু সমস্যা হচ্ছে, তবে মোটের উপর নবজাতক শিশুটি ঠিক আছে। কিন্তু এখানে এই প্রশ্নটি থেকে যায় কেন লোকেরা এমন করে। সর্বোপরি, একটি নবজাতক কে নিয়ে সমস্যা এমন কী যে তাকে জন্ম দেওয়ার পরেই তাকে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়েছিল।

গুজরাটের সবরকাঁথা জেলা থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে কেউ একজন এক নবজাতককে মাঠে পুঁতে দিয়েছে। খামারের মালিক সেখানে পৌঁছে দেখেন, মাটির তলায় যেন একটি নবজাতকের হাত। পরে মাটি সরিয়ে নবজাতককে বের করেন তিনি। শিশুটি জীবিত আছে বুঝতে পারা মাত্র তাকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়ন তিনি।
মাটির নিচে চাপা থাকায় নবজাতকের শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল। চিকিৎসকরা ওই একরত্তি শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন এবং তার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করছেন। বিষয়টি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নবজাতকের বাবা-মায়ের খোঁজ শুরু করে। এ ঘটনায় অভিযোগ নথিভুক্ত করার সময় শিশুটির অজ্ঞাত পরিচয় বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে শিশু হত্যা চেষ্টার মামলাও দায়ের করেছে পুলিশ। কন্যা সন্তান বলেই এমন অমানবিক কান্ড কিনা সেই প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখছে।