Dainik Sangbad – দৈনিক সংবাদ
Image default
FEATURED ট্রেন্ডিং

সোনা ও মূল্যবান সামগ্রীতে ভর্তি জায়গাটি এতদিন ছিল লোকচক্ষুর অন্তরালে! জানেন কোথায়?

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়াতেও একটি সোনার দ্বীপ পাওয়া গেছে। এখান থেকে মানুষ সোনার গয়না, আংটি, বৌদ্ধ মূর্তি এবং চিনা মূল্যবান সিরামিক পাত্রও খুঁজে পেয়েছে। এই দ্বীপটি ইন্দোনেশিয়ার পালেমগ্রাম প্রদেশের মুসি নদীর মধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছে, বহু বছর ধরে নিখোঁজ ছিল এই সোনার দ্বীপ।

এই দ্বীপের নিকটবর্তী নদীর পাদদেশে সোনার অলংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্রও পাওয়া গেছে। এই দ্বীপ নিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় লোককাহিনী চলে আসছে। বলা হয় এই দ্বীপে মানুষকে খায় এমন সাপও বাস করে। এখানকার আগ্নেয়গিরিও অগ্ন্যুৎপাত করতে থাকে। সোনার দ্বীপ নামে পরিচিত এই স্থানটিকে ইন্দোনেশিয়ার প্রাচীন ইতিহাসে শ্রীবিজয়া শহর বলা হত।

এই সময়ে এটিকে একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ শহরও বলা হত, এটি বাণিজ্য পর্যায়ে বিশ্বের পূর্ব এবং পশ্চিমের দেশগুলিকে সংযুক্ত করে। এরপর কালের গর্ভে কোথাও তলিয়ে যায় এই দ্বীপটি। এখন এই দ্বীপটি মুশি নদীর তীরে পাওয়া গেছে। কথিত আছে যে এখানে মালাক্কা উপসাগরে রাজত্বকারী রাজাদের সমর্থনে যুদ্ধের সময় শহরটি ভেঙে গিয়েছিল এবং আস্তে আস্তে সভ্যতা বিলুপ্ত হয়েছিল।

ঐতিহাসিকদের মতে, পরাজয়ের পরও দুই দশক ধরে এখানে বাণিজ্য চলেছিল। ১৩৯০ সালে, যখন শ্রীবিজয় রাজের যুবরাজ পরমেশ্বরো ফিরে আসেন, তখন এলাকাটি দখল করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু প্রতিবেশী রাজার কাছে পরাজিত হয়।

এরপর শ্রীবিজয়া চীনা জলদস্যুদের আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে। ইতিহাসবিদরা দাবি করেন যে এই সাম্রাজ্য মুসি নদীর তলদেশে ছিল কারণ ডুবুরিরা নদীর তলদেশ থেকে ক্রমাগত সোনার অলঙ্কার, মন্দিরের ঘণ্টা, যন্ত্র, মুদ্রা, সিরামিক পাত্র এবং ভাস্কর্য বের করছে। এই দ্বীপ ঘিরে মানুষের কৌতূহল চরমে।

Related posts

অদ্ভুত কাণ্ড! বয়স ২৯, তাও প্রতিবছরই দৈর্ঘ্যে বেড়ে চলেছেন রায়গঞ্জের এই যুবক!

News Desk

এই শ্মশানের দ্বাররক্ষক স্বয়ং যমরাজ! প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরোনো এই স্থান

News Desk

ছোট একটা অপারেশন, হাসপাতাল বলে মেয়ে সুস্থ। হঠাৎ করেই কিভাবে সব শেষ? প্রশ্ন পরিজনের

News Desk