ভারতের রাজধানী দিল্লি সংলগ্ন গ্রেটার নয়ডায় লিঙ্গ পরিবর্তনের এক অদ্ভুত ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে একটি মেয়ের মনে ছেলে হওয়ার সুপ্ত বাসনা ছিল। এই ইচ্ছা এতটাই বেশি ছিল যে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে দিল্লি চলে আসে। এখানে এসে ওই তরুণী তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের আশ্রমে পৌঁছন। কয়েকদিন এখানে থেকে নিজের ওপর কয়েক ডজন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন তিনি। তবে এখন গ্রেটার নয়ডা পুলিশ সন্ধান করে তার খোঁজ পেয়ে মেয়েটিকে আবার তার বাড়িতে ফিরিয়ে এনেছে।
বলা হচ্ছে, চাঁদনি (নাম পরিবর্তিত) নামে এক মেয়ের ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে দিল্লির বাসিন্দা এক তরুণীর সঙ্গে কথা হয়। এই মেয়ে চাঁদনীকে দিল্লিতে ডেকে নিয়ে এসে এখানে তাকে বৃহন্নলা দের আশ্রমে রেখেছিল। এরপর চাঁদনীও শরীরে পুরুষ হরমোন উৎপাদনের জন্য ইনজেকশন ও ওষুধ খেতে শুরু করে। আসলে মেয়েটি চাঁদনী থেকে চন্দ্র হতে চেয়েছিল। মানে ছেলে হওয়ার শখ ছিল তার।

কিন্তু, গ্রেটার নয়ডার বদলপুরে চাঁদনীর বাড়ির লোকজনের দুশ্চিন্তার শেষ ছিল না। কারণ তিনি না জানিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে চলে আসেন। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগও করা সম্ভব হয়নি। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মেয়ের নিখোঁজ মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেটার নয়ডা পুলিশ চাঁদনীকে খুঁজতে শুরু করলে দেখা যায় সে দিল্লির ট্রান্সজেন্ডার আশ্রমে রয়েছে।
দিল্লি পুলিশের সহায়তায় মেয়েটিকে উদ্ধার করেছে গ্রেটার নয়ডা পুলিশ। তবে দীর্ঘদিন হরমোনের ওষুধ খেয়ে খেয়ে মেয়েটির শরীরে কিছু পরিবর্তন এসেছে। মুখে দাড়ি-গোঁফও গজিয়ে গেছে। বর্তমানে চাঁদনীকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।