Dainik Sangbad – দৈনিক সংবাদ
Image default
FEATURED ট্রেন্ডিং

মর্মান্তিক! বিয়ের ১৫ বছর পরও হয়নি সন্তান! তাই বলে এমন পদক্ষেপ নেবেন স্বামী-স্ত্রী, কেউ ভাবেননি

সন্তান হয়নি। বিয়ের পর থেকে কেটে গেছে বহু বছর। এই বিষয়ে অবসাদে থাকতেন তারা। কিন্তু তাই বলে এমন কাজ করে বসবেন দুজনে ভাবেননি কেউই। দম্পতির চরম পদক্ষেপে পরিবারে শোকের ছায়া।

উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর জেলায় বিয়ের ১৫ বছর পরও কোনো সন্তান না হওয়ায় আত্মহত্যা করেছে এক দম্পতি। পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পারা মাত্র পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ এই বিষয়ে বলছে, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। যদিও ঘটনার তদন্ত চলছে।

তথ্য অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের আদালহাট থানা এলাকার বিষারপুর মাফি গ্রামের একটি বাড়িতে দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তাদের বাড়ির একটি ঘরে ৩৫ বছর বয়সী বুদ্ধু শেঠ ও তার স্ত্রী ৩৩ বছর বয়সী রানি দেবীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে। মৃত বুদ্ধু শেঠ নারায়ণপুর বাজারে একটি ঠেলা গাড়িতে চাট ফুলকি বিক্রি করতেন। বুধবার বিকেল পর্যন্ত তার দাদাকে নিজের ঠেলা না লাগতে দেখে তার ভাই নিজের ছেলেটিকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন খোঁজ নিতে। এর পর ভাইপো সানি পৌঁছে যায় বুধু শেঠ এর বাড়িতে। সানি চিৎকার করে ডাকতে থাকলেও কোনো উত্তর পাননি। এর পরে তিনি ঘরের ভেতরে গিয়ে দেখেন, তাদের দুজনের নিথর দেহ পড়ে আছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন মৃতের স্বজনরা। পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এবং ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করে। পুলিশ দেহ দুটির পাশে নাইলনের দড়ি দেখতে পায়। দুজনের মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল।

পুলিশ আধিকারিকদের মতে, আশঙ্কা করা হচ্ছে তারা দুজনেই প্রথমে দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু ব্যর্থ হওয়ার পর তারা বিষ খেয়ে নেন। দুজনেই ১৫ বছর ধরে বিবাহিত ছিল, কিন্তু কোন সন্তান ছিল না। এ কারণে দুজনেই চিন্তায় থাকছিল। সার্কেল অফিসার রামানন্দ রাই জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে।

Related posts

ঝাড়খণ্ডের এই পরিবারের বউরা শাশুড়ির মূর্তি বানিয়ে পুজো করেন! কারণ জানলে অবাক হবেন

News Desk

দিল্লীর এই মেয়েই হয়ে উঠেছেন আমেরিকার অন্যতম জনপ্রিয় পর্নস্টার, জানেন!

News Desk

পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী ভারতে কি করতো? সত্যিটা জেনে হতবাক গোয়েন্দারাও

News Desk