ভালোবাসার কোনো বয়স হয় না। এই কথা প্রমাণ করলেন এই মহিলা যিনি নিজের ৭০ বছর বয়সে এসে ভালোবাসাকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করলেন। শুধু তাই নয়, নিজের যৌন জীবন নিয়ে জানালেন বড়সড় তথ্য। এই বৃদ্ধার অভিজ্ঞতা এখন চর্চার বিষয়।
৭০ বছরের এই বৃদ্ধা ৬৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সাথে সম্প্রতি বিয়ে করে নতুন দাম্পত্য জীবন শুরু করেছেন। এখন বিয়ের ৭ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর এই নববিবাহিত দম্পতি তাদের যৌন জীবন নিয়ে অনেক তথ্য জানিয়েছেন। দম্পতি জানিয়েছেন যে তারা দুজনেই একে অপরের থেকে দূরে থাকতে পারছেন না এবং বেডরুমে ঘন্টার পর ঘন্টা রোম্যান্সের মধ্যে হারিয়ে যান।

দম্পতি দাবি করেছেন যে তারা এই বয়সে বিয়ে করার পরও সেরা মানের যৌনতা উপভোগ করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার বাসিন্দা সিনথিয়া কেস বলেন- হ্যাঁ, রোমান্সের সময় আমরা অনেক সময় খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ি।
প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখা যাক যে সিনথিয়া কেস একজন বিধবা ছিলেন। তিনি আর্থিক ট্রেডিং সফটওয়্যার ডিজাইনের কাজ করতেন।সেখানেই লাস ভেগাসে থাকতেন জেমস ক্লার্ক। তিনি একজন পেশাদার জুজু খেলোয়াড় ছিলেন। সিনথিয়ার সাথে দেখা হওয়ার ১০ বছর আগে ক্লার্কের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল।
সিনথিয়া এবং ক্লার্ক প্রায় দেড় বছর আগে একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে একে অপরের সাথে দেখা করেছিলেন। অনলাইন পরিচিত হয়ে দেখা করার মাত্র ১০ দিন পরে ক্লার্ক ফ্লোরিডায় সিনথিয়ার বাড়িতে আসেন। এর পর ক্লার্ক ফ্লোরিডায় চলে যান। তিনি সিনথিয়া এবং তার ৩৮ বছর বয়সী ছেলে ড্যানির সাথে থাকতে শুরু করেন। দম্পতি ৯ মাস একে অপরকে ডেট করেন এবং তারপর বিয়ে করেন।
সিনথিয়া বলেন- যতক্ষণ না উভয় সঙ্গীই শারীরিক ও মানসিকভাবে রোম্যান্সের জন্য প্রস্তুত থাকে, ততক্ষণ বৃদ্ধ বয়সে রোমান্স উপভোগ না করার কোনো কারণ নেই। মস্তিষ্ক সবচেয়ে বড় যৌন অঙ্গ। আপনি হাল ছেড়ে দিলে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়।
সিনথিয়া স্বীকার করেছেন যে কিছু বন্ধু তাদের যৌন জীবন সম্পর্কে জেনে অবাক হয়েছেন। তিনি বললেন- ওই সব মানুষেরা আমাদের ঈর্ষা করতে পারে। তবে এতে আমাদের জীবনে কিছু পাল্টাবে না।