চীন থেকেই শুরু হয়েছিল করোনার, আর সেই চীন আজ আবারও করোনার দাপটে কাবু হয়ে গেছে। যদিও ভারতে বেশ অনেকটাই কমেছে করোনা। পাশাপাশি কমছে এক্টিভ কেসও। আর সেই কারণেই করোনার যতরকম বিধিনিষেধ ছিল তা সম্পূর্ণরূপে তুলে দিচ্ছে ভারতে আগামী ৩১এ মার্চ থেকে।
বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৩৩ জন গত ২৪ ঘণ্টায়। যা শেষ ২৪ ঘন্টার তুলনায় অনেকখানি কম। পাশাপাশি দেশের অ্যাকটিভ কেসও অনেকখানি কমছে। এখন সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭০৪ ভারতে। দেশে অ্য়াকটিভ কেসের হার আপাতত ০.০৩ শতাংশ। তবে মৃত্যুহার এখনও চোখ রাঙাচ্ছে। রিপোর্ট বলছে, করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন গত ২৪ ঘণ্টায়। ফলে কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা দেশে বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ২১ হাজার ১০১ জনে।

এসবের মধ্যেও অবশ্য দেশের সুস্থতার হার স্বস্তিজনক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৪১০ জন এখনও পর্যন্ত করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় যার মধ্যে ১ হাজার ৮৭৬ জন করোনা থেকে সেরে উঠেছেন। ৯৮.৭৫ শতাংশ সুস্থতার হার। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, দেশে প্রায় ১৮৩ কোটি ৮২ লক্ষের বেশি ডোজ করোনার টিকা এখনও পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল মোট ভ্যাকসিন পেয়েছেন সাড়ে ২৬ লক্ষের বেশি। দেশজুড়ে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সিদের টিকাকরণ চলছে। ষাটোর্ধ্বরাও বুস্টার ডোজ পাচ্ছে।
একদিকে যেমন টিকাকরণ চলছে তেমনই অপরদিকে চলছে করোনা পরীক্ষাও। কেন্দ্র থেকে প্রায় দেশের প্রতিটি রাজ্যকেই চিঠি দিয়ে করোনা পরীক্ষায় জোর দিতে বলা হয়েছে। গতকাল ৬ লক্ষের ২৪ হাজার ২২ জনের করোনা টেস্ট হয়েছে দেশে।