Dainik Sangbad – দৈনিক সংবাদ
Image default
ট্রেন্ডিং

বাঘ-সিংহের চেয়ে বহুগুণে ভয়ঙ্কর, আফ্রিকার তৃণভোজী এই মহিষকে কেন যমদূত বলা হয় জানুন

হিংস্র জীবজন্তুর কথা বললেই আমাদের মনে আসে মাংসভুক বাঘ , সিংহ এই জাতীয় প্রাণীর কথা। কিন্তু সুবিশাল এই পৃথিবীতে এমন বহু জন্তু-জানোয়ার আছে যারা বাঘ, সিংহের থেকে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। আর সবথেকে আশ্চর্য্যজনক তথ্য এই সমস্ত ভয়ঙ্কর প্রাণীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মাংসাশী নয়। কিন্তু হিংস্রতায় তারা বাঘ-সিংহের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। যেন সাক্ষাৎ যমদূত, একবার এর খপ্পরে পড়লে আর কোন রেহাই নেই। জানেন কি পৃথিবীর অন্যতম কোন ভয়ঙ্কর হিংস্র প্রাণীর কথা বলছি এখানে? এই প্রাণীটি ‘কেপ বাফেলো’ (Cape Buffalo) নামে পরিচিত।

এটি এক প্রজাতির মহিষ। মহিষের এই প্রজাতিটি মূলত আফ্রিকার তৃণভূমিতে বসবাস করে। একটি কেপ মহিষের (Cape Buffalo Weight) ওজন কতোটা হতে পারে আন্দাজ করতে পারেন, হতে পারে কয়েক টন পর্যন্ত। আফ্রিকান এই মহিষগুলোর ওজন ২০০০ পাউন্ডের চাইতেও অধিক হয়ে থাকে। এটা দেখতে আফ্রিকার ভয়ঙ্কর সাপ ব্লাকমাম্বার মতই কুচকুচে কালো। এরা সিংহের চেয়েও বেশি আক্রমণাত্মক। প্রানী বিশেষজ্ঞরা জানান, এদের স্মৃতিশক্তি বেশ প্রখর। এই প্রাণীটি মানুষের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

এদের মূল শক্তি হচ্ছে, শরীরের আকার আকৃতি ও বদমেজাজ। সকাল হতে বিকাল পর্যন্ত এরা তৃণভূমিতে ঘাস খেয়ে বেড়ায়। হয়তো আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে এরা ভীষণ নিরীহ, আফ্রিকার সাভানা তৃণভূমিতে ঘুরে বেড়ানো একটি সাধারণ প্রাণী মাত্র। কিন্তু এই বুনো মহিষটি আসলে সাক্ষাৎ যমদূত! এদের কেউ সামান্যতম বিচলিত করলে তার আর রক্ষে নেই! এদের ভীষণ হিংস্র স্বভাবের জন্য এদেরকে আবার ব্লাক ডেথ (black death) ও বলা হয়।

আসলে আফ্রিকার বনভূমি হচ্ছে লড়াই করে বেঁচে থাকার জন্য। এই মহাদেশটির বহু জায়গা এখনও এতটাই দুর্গম আর প্রতিকূল যে যেকোনো জীবজন্তুকেই পরিস্থিতির সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকতে হয়। তাই তেমনই একটি প্রাণী আফ্রিকার কেপ বাফেলো।

আফ্রিকার এই অতিকায় ওজনের প্রাণীগুলি যদি সামান্যতম বিচলিত হয় তাহলে তার লক্ষ্যের দিকে ভীষণ দ্রুত গতিতে ছুটে আসা এক ক্রুদ্ধ দানবে পরিণত হয়। আর যে জিনিসের দ্বারা সে বিচলিত তার আর রেহাই নেই। খুর বা শিংয়ের একটি ঘা দিয়েই, একটি মহিষ একজন ব্যক্তিকে হত্যা করে ফেলতে পারে অনায়াসে ।

গবেষণা অনুসারে, জানা যায় কেপ মহিষের দৃষ্টিশক্তি এবং শ্রবণশক্তি দুর্বল। কিন্তু এই প্রাণীদের তীক্ষ্ণ স্মৃতিশক্তি আছে। যদি কোন মানুষ বা শিকারী কেপ মহিষের কোন আঘাত করে বা সমস্যা করে তবে তারা কয়েক বছর পরেও তাদের মনে রাখতে পারে। তাদের ব্যতিক্রমী স্মৃতিশক্তি তাদেরকে পৃথিবীর এক উগ্র প্রতিশোধকারীদের মধ্যে পরিণত করেছে। সেই কারণেই এরা যেন সাক্ষাৎ যমদূত।

Related posts

২৫ বছরের তরুণীর ছেলের বয়স নাকি ১৪ বছর! কিভাবে হয় বুঝিয়ে বলুন! দাবী নেটিজিনদের

News Desk

দীর্ঘ সময় বাদে ঊর্ধ্বমুখী দেশের কোভিড গ্রাফ! চিন্তায় রাখছে রাজধানী দিল্লির করোনা পরিস্থিতি

News Desk

দাদু হতে চলেছেন অনিল কাপুর? কন্যা সোনম কাপুরের ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ঘিরে হইচই

News Desk